BREAKING অভিষেকের মন্তব্যে পাল্টা আক্রমণ ঋজু দত্তের: "মেঠো রাজনীতির সঙ্গে যোগ নেই, প্রমাণ থাকলে সামনে আনুন" আমাদের ফেসবুক পেজ ও নিউজ পোর্টালে বিজ্ঞাপন দিতে কল করুন: 6296106230

Home › India

AdvertisementSnehasish Sahoo

চড়ছেই চিনির দাম! এক মাসেই কেজিতে ৪ টাকার বেশি বৃদ্ধি, দীপাবলির আগে বাজেটে টান

India · 04 Nov 2026, 05:11 PM · Updated: 05 Nov 2026, 04:37 AM

English version is not available yet

উৎসবের মরশুমে সংসারের খরচে নতুন করে ছ্যাঁকা দিচ্ছে চিনি। গত এক মাসে খুচরো বাজারে কেজিপ্রতি চার টাকার বেশি বেড়েছে দাম। বুধবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক বছরের হিসেবে এই বৃদ্ধি কোথাও কোথাও কেজিতে ১৩ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে। দীপাবলি, ভাইফোঁটা ও জগদ্ধাত্রী পুজোর ঠিক মুখে এই পরিস্থিতিতে চিন্তা বেড়েছে গৃহস্থ থেকে মিষ্টি ব্যবসায়ী, সবার।

বাজার চড়তে শুরু করেছিল জুলাই-আগস্ট থেকেই। কেন্দ্রীয় ভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের তথ্য বলছে, ১৮ আগস্ট দেশে চিনির গড় খুচরো দাম ছিল কেজিতে ৫২.৩০ টাকা। সরকারি হিসেবে, জুলাই-আগস্ট মিলিয়ে দাম বেড়েছিল প্রায় ১৫.৬ শতাংশ। বাংলার কয়েকটি বাজারে ওই সময়েই কেজিপ্রতি দাম ৭০ টাকার কাছাকাছি উঠে যাওয়ার খবর মিলেছিল। 

দামবৃদ্ধির কারণ হিসেবে কেন্দ্র একাধিক বিষয়ের কথা বলছে। চলতি মরশুমে উৎপাদন কম, উৎসবের সময় চাহিদা বেশি, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাব এবং মজুতদারির প্রবণতা, সব মিলিয়েই পরিস্থিতি জটিল হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের দাবি। ইথানল তৈরির জন্য আখ সরে যাওয়াই দাম বাড়ার কারণ, এই অভিযোগ অবশ্য মানতে নারাজ কেন্দ্র। যদিও বিরোধী শিবিরের একাংশ ইথানল-নীতিকেই কাঠগড়ায় তুলছে।

বাজার সামলাতে সরকার কিছু পদক্ষেপও করেছে। মজুতদারি রুখতে ১ আগস্ট থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চিনি ব্যবসায়ীদের জন্য ৪০০ টনের মজুত-সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর থেকে বড় ক্রেতাদের ক্ষেত্রেও ১৫ দিনের ব্যবহারের বেশি চিনি জমিয়ে রাখা নিষিদ্ধ। তবু দামের ঊর্ধ্বগতি পুরোপুরি থামেনি। এদিকে চিনিকল মালিকদের একটি সংগঠনের দাবি, দেশে চিনির কোনও ঘাটতি নেই এবং ঘরোয়া চাহিদা মেটানোর মতো পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। সংকটের আশঙ্কাকে তারা গুজব বলেই উড়িয়ে দিয়েছে। 

সবচেয়ে বেশি চাপ পড়েছে মিষ্টি প্রস্তুতকারকদের ওপর। চিনির দামের সঙ্গে রান্নার গ্যাসের খরচও বেড়েছে, ফলে উৎপাদন-ব্যয় দু'দিক থেকেই চড়ছে। ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, চিনির দাম দীর্ঘদিন চড়া থাকলে উৎসবের মিষ্টির দামও বাড়াতে হবে। তেমন হলে পুজোর মরশুম পেরিয়েও ক্রেতার পকেটে টান থেকে যাবে।

সরকারি স্টক-সীমার মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩০ নভেম্বর। তার পর বাজারের গতিপ্রকৃতি কী হয় এবং নতুন মরশুমে আখ পেষাই শুরু হলে দামে কতটা স্বস্তি মেলে, সেদিকেই এখন তাকিয়ে ক্রেতা ও ব্যবসায়ী, দুই পক্ষই।

Related news